প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুবর্ণ নাগরিক কার্ড আবেদন ২০২২

2022 23 অর্থবছরের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতার বাজেট করা হয়েছে। যাহারা এই প্রতিবন্ধী রয়েছেন তারা এই ভাতা পেতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। তবে বিগত দিনে যারা প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়েছেন তারা এ আবেদন করা লাগবে না। আপনি যদি নতুন করে প্রতিবন্ধী ভাতা  জন্য আবেদন  ২০২২ করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুবর্ণ নাগরিক কার্ড লাগবে। যদি আপনার এই কার্ডটি না থাকে তাহলে কিভাবে আবেদন করবেন আজকের এই টিউটোরিয়ালে আমি সম্পূর্ণ বিস্তারিত শেয়ার করব। 

সুবর্ণ নাগরিক কার্ড আবেদন ২০২২

 

সুবর্ণ নাগরিক কার্ড কী? 

সুবর্ণ নাগরিক কার্ড হলো প্রতিবন্ধী পরিচয় পত্র। আমাদের সকলের যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র রয়েছে। তেমনি প্রতিবন্ধীদের পরিচয়ের জন্য একটি কার্ড প্রয়োজন হয়। যে কার্ডটি সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর কর্তৃক ভেরিফাই করা হয়। এই কার্ডটি দ্বারা এটাই বুঝায় আপনি একজন প্রতিবন্ধী। সুতরাং আপনাকে যদি প্রতিবন্ধী হিসেবে পরিচয় দিতে হয় তাহলে এই কার্ডটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই কার্ডটি ছাড়া আপনি প্রতিবন্ধী কিনা সেটা অফিসিয়ালি বিবেচনা করবে না৷ এছাড়াও আপনি যখন প্রতিবন্ধী ভাতা জন্য আবেদন ২০২২ করবেন তখন এই কার্ডটি আপনার কাজে লাগবে। তাই অপেক্ষা না করে আজই এই কার্ডের জন্য আবেদন করে ফেলুন অনলাইনে।

সুবর্ণ নাগরিক কার্ড আবেদন ২০২২ করতে কি কি লাগবে? 

বর্তমান বাজেটে প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ২৪২৯.১৮ কোটি টাকা। যা প্রদান করা হবে ২৩ লক্ষ ৬৫ হাজার প্রতিবন্ধীকে। প্রতি মাসে একজন প্রতিবন্ধী পাবেন 850 টাকা করে। আপনি যদি নতুন করে এই প্রতিবন্ধী ভাতা পেতে চান তাহলে আপনাকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড  এর জন্য  আবেদন করতে হবে। (প্রতিবন্ধী পরিচয় পত্র)। এরপর আপনি চাইলে এই ভাতার জন্য আবেদন  করতে পারবেন অনলাইনে। এই নাগরিক কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে আপনার কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে।

নিম্নে তা প্রদান করা হলো:

  • *প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন কার্ড (অবশ্যই অনলাইনে হতে হবে)
  • *পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র
  • *সিগনেচার অথবা টিপ সই দিতে হবে

এই তিনটি ডকুমেন্ট থাকলে আপনি এই কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারবেন মোবাইল দিয়ে। যদি আপনার এই কার্ডটি থেকে থাকে তাহলে আপনি প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করতে পারেন৷

কিভাবে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের সুবর্ণ নাগরিক কার্ড এর জন্য আবেদন করবেন? 

এখানে ক্লিক করুন এবং নতুন পেজ ওপন হবে৷ এরপর এখানে কিছু নিয়মাবলি দেয়া থাকবে তা পড়ে টিক বাক্সে টিক দিয়ে অবগত হলাম ক্লিক করে “হ্যাতে” ক্লিক করুন।

 

এরপর নতুন পেজ ওপেন হবে। যেখনে আপনার তথ্য দিতে হবে৷ পারসোনাল তথ্য। আপনার নাম,বাংলা, ইংরেজি, আপনার পিতা ও মাতার নাম৷ জন্ম তারিখ আপনার ঠিকানা এগুলো দিবেন। যা অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন অথবা আইডি কার্ড অনুযায়ী হতে হবে৷ প্রথমে আপনার পরিচয় তথ্য দিবেন। (টিক দাগ গুলো সুধু পূরন করবেন)

 

 

এরপর আপনার ঠিকানা পূরন করবেন। আপনার আইডি কার্ড থাকলে তার নাম্বার দিবেন না থাকলে জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিবেন। এরপর স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একইতে ক্লিক করে পরবর্তীতে ক্লিক করুন।

 

 

সেকশন ১ এখানে তথ্যগুলো পূরন করে পরবর্তী ক্লিক করুন।

 

সেকশন ২ এর পেশা ও আয় তথ্যগুলো বসাতে হবে। এবং পরবর্তী ক্লিক করুন।

সেকশন ৩ প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক তথ্য দিতে হবে৷ আমি কি প্রতিবন্ধী এবং আপনার কি কি সমস্যা সেটা পূরন করতে হবে। সবগুলো পূরনের পর আপনার সিগনেচার আপলোড দিতে হবে।

 

 

আপলোড শেষ হলে দাখিল ক্লিক করুন। এবং আপনার কপিটি ডাউনলোড করে রাখুন। উক্ত আবেদন কপিতে যেই তারিখ দেয়া আছে ঐ তারিখে আপনাকে স্থানীয় সমাজ কল্যান অধিদপ্তরে উক্ত আবেদন কপি সহ আপনার ডকুমেন্টস নিয়ে যেতে হবে।

সেখানে ডাক্তার কতৃক আপনাকে পরীক্ষা করা হবে আসলে আপনি প্রতিবন্ধী কী না। যদি রিপোর্ট গুলো সত্য হয় তাহলে আপনাকে এই সুবর্ণ কার্ডটি প্রদান করা হবে।

 

 

 

 

Related Stories

Leave A Reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay on op - Ge the daily news in your inbox