বাংলাদেশে ৪জি গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ই-সিম সেবা

 দেশে প্রথমবারের মতো গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ই-সিম সেবা। গত পহেলা মার্চ গ্রামীণফোন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং অনলাইন ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই সেবাটি নিশ্চিত করেন। যা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়েছে তবে -ব্যবহারকারীরা এই সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন সাথে মার্চ 2022 থেকে। 


দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ফাস্টেস্ট মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রোভাইড করে থাকেন গ্রামীণফোন। বর্তমানে তাদের অনেক সেবা রয়েছে তন্মধ্যে তারা নতুন একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছেন সেটি হচ্ছে ই-সিম সেবা। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রামীণফোন এই সেবাটি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সেবাটি সাথে মার্চ 2022 থেকে আমরা সকলেই উপভোগ করতে পারব। 

ই-সিম কী? 

e-sim শব্দটির সাথে আমরা কমবেশি অনেকেই পরিচিত। তবে বাংলাদেশে হয়তোবা এই শব্দটি পরিচিতি নয়। কারণ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই সেবাটি চালু করতে যাচ্ছেন গ্রামীণফোন। ই-সিম হলো  এমবেডেড সিম। যেটি কিনা মোবাইল ফোনের সাথে এই কনফিগারেশন দেওয়া থাকে। এবং মোবাইল ফোনের সাথে অভ্যন্তরীণভাবে সংযুক্ত একটি চিপ দেওয়া থাকে। যার কারণে এটির নাম দেয়া হয়েছে এমবেডেড সিম। এমবেডেড শব্দের অর্থ হলো অভ্যন্তরীণভাবে সংযুক্ত। সংযুক্ত প্রতিটি কম্পলটে আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় যেহেতু এটি মোবাইল ফোনের সাথে সংযুক্ত সেক্ষেত্রে এর নাম দেয়া হয়েছে এমবেডেড সিম বা ই-সিম৷ 

এই সেবাটি 2016 সাল থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চালু। তবে দেশে প্রথমবারের মতো ৪জি গ্রামীণফোন ই-সিম সেবাটি চালু করতে যাচ্ছেন।

ই-সিম কিভাবে কাজ করে? বা ই-সিম কিভাবে ব্যাবহার করবেন?

বাস্তবে যেই সিম কার্ড গুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলো হচ্ছে ফিজিক্যাল কানেকশন দিয়ে থাকি মোবাইল ফোনের সাথে। আমাদের মোবাইল ফোনে এক বা একাধিক সিম কার্ডের শ্লট দেয়া থাকে। যেগুলোতে আমরা চাইলে যে কোন সিম কার্ড ব্যবহার করতে পারি। তবে এটি হচ্ছে ফিজিক্যাল কানেকশন। আর ই-সিম হলো ইলেকট্রনিক কানেকশন। এখানে আপনাকে কোন সিম কার্ড ফিজিক্যালি কানেকশন করতে হবে না। শুধুমাত্র একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। কারণ ই-সিম কনফিগার টি ফোনের  সাথে  দেওয়া থাকে। তবে বর্তমানে যে সকল ফোনগুলো রয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই কনফিগার টি রয়েছে। 

ই-সিম সেবাটি তারাই ব্যবহার করতে পারবেন যাদের ফোনে ই-সিম সাপোর্ট করে।দেখে নিন আপনার ফোনকি ইসিম  সাপোটেট কী না? রা যেমন একটি ফোনে শুধুমাত্র একটি অথবা দুইটি সিম কার্ডে ব্যবহার করতে পারি কিন্তু ইসিমের ক্ষেত্রে বিষয়টা আলাদা। কারণ এই সিম কোন ফিজিক্যাল কানেকশন করা লাগে না। সে ক্ষেত্রে আমরা চাইলে এক বা একাধিক ই-সিম ব্যবহার করতে পারি।নিরাপত্তার বিষয়টি যদি বলতে চাই সেক্ষেত্রে ফিজিক্যাল সিম কার্ডের তুলনায় ই-সিম  অনেকটাই নিরাপদ। কারণ ইসিম কেবল সেই ব্যবহার করতে পারবে যে আপনার জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড জানবে। সুতরাং ই-সিম অনেক নিরাপদ। 

গ্রামীণফোন ইসিম কিভাবে পাবেন? 

গ্রামীণফোন ৪জি ইসিম বিক্রি করা হবে ৭ মার্চ 2022 থেকে। গ্রামীনফোনের অফিসিয়াল অনলাইন শপ এবং তাদের বিশেষ কাস্টমার কেয়ার। 

 গ্রামীণফোন  ৪জি ইসিম দাম? 

আমরা হয়তোবা অনেকেই ভেবে রয়েছি সিম কার্ডের তুলনায় ই সিমের দাম অনেকটাই বেশি। তবে এটি ভুল ধারণা। ফিজিক্যাল কার্ডের যেই দাম সিমের দাম ঠিক এরকমই। ২৫০টাকা বিক্রি করা হতে পারে। 


Post a Comment

Previous Post Next Post